Type Here to Get Search Results !

পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা অধ্যায়ের সকল প্রশ্ন ও উত্তর । একাদশ শ্রেণী দর্শন দ্বিতীয় সেমিস্টার, দ্বিতীয় অধ্যায় । Class 11, 2nd semester philosophy, Second Chapter

একাদশ শ্রেণী দর্শন দ্বিতীয় সেমিস্টার, দ্বিতীয় অধ্যায় পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা প্রশ্ন উত্তর | Class 11, 1st semester philosophy, Second Chapter । WBCHSE । Pode, Bakko, Bochon, Poder bappota, Sottota o Boidhota

শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে আমরা আলোচনা করবো একাদশ শ্রেণীর দর্শন বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা নিয়ে। আশাকরি তোমরা একাদশ শ্রেণীর দ্বিতীয় সেমিস্টারের এই পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা অধ্যায়টি থেকে যেসব প্রশ্ন দেওয়া আছে তা কমন পেয়ে যাবে। আমরা এখানে একাদশ শ্রেণীর, দ্বিতীয় সেমিস্টারের দর্শন বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা এর SAQ, শূন্যস্থান পূরণ, এক কথায় উত্তর দাও, Descriptive, ব্যাখ্যা মুলক প্রশ্নোত্তর , সংক্ষিপ্ত নোট এগুলি দিয়েছি। এর পরেও তোমাদের এই পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা অধ্যায়টি থেকে কোন অসুবিধা থাকলে, তোমরা আমাদের টেলিগ্রাম, হোয়াটসাপ , ও ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারো । 
পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা অধ্যায়ের সকল প্রশ্ন ও উত্তর । একাদশ শ্রেণী দর্শন দ্বিতীয় সেমিস্টার, দ্বিতীয় অধ্যায় । Class 11, 2nd semester philosophy, Second Chapter

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নাবলি [Type-1] 
প্রতিটি প্রশ্নের মান 2

1. পদ কাকে বলে?

ধারণা ভাষায় প্রকাশিত হলে তাকে পদ বলে। 
অন্যভাবে বলতে গেলে যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোন নির্দিষ্ট ধারণাকে প্রকাশ করে, এবং স্বাধীনভাবে কোন বচনের উদ্দেশ্য বা বিধেয় রূপে ব্যবহৃত হয়, যুক্তিবিদ্যায় তাকে পদ বলে।

2. পদ কয়প্রকার ও কী কী?

পদকে সাধারণত দুটি ভাগে ভাগ করা হয় - 
i) উদ্দেশ্য পদ 
ii) বিধেয় পদ।

3. বচন কাকে বলে?

অবধারণ ভাষায় প্রকাশিত হলে তাকে বচন বলে। 

4. পরিমানক কাকে বলে ?

পরিমাণক/মানক (Quantifier): 
প্রতিটি আদর্শ নিরপেক্ষ বচন 'সকল', 'কোনো', 'কোনো কোনো' এই শব্দগুলির যে-কোনো একটির দ্বারা শুরু হয়। এই শব্দগুলি বচনের পরিমাণ নির্দেশ করে। এজন্য এদের বলা হয় পরিমাণক বা মানক। অর্থাৎ বচনের উদ্দেশ্য পদের ব্যস্তার্থ বা ব্যাপকতাকে চিহ্নিত করে যে-শব্দ তাকে পরিমাণক বলা হয়। 
যেমন-
i. সকল মানুষ হয় মরণশীল জীব।
এখানে 'সকল' হল পরিমানক।

ii. কোনো মানুষ নয় অমর।
এখানে "কোনো" হলো পরিমাণক। 

iii. কোনো কোনো মানুষ হয় কবি।
এখানে কোনো কোনো হল পরিমানক।

5. উদ্দেশ্য পদ কাকে বলে?

উদ্দেশ্য (Subject): 
কোনো বচনে যে-পদটি সম্বন্ধে কোনো কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, তাকেই বলা হয় উদ্দেশ্য পদ। যেমন-'সকল মানুষ হয় মরণশীল' এই বচনটিতে 'মানুষ' হল উদ্দেশ্য পদ। 

6.  সংযোজক কাকে বলে?

সংযোজক (Copula): 
সম্বন্ধ-নির্ণায়ক সংকেতকে বলে 'সংযোজক'। বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে সম্বন্ধ নির্ণয়ের জন্য যে-চিহ্নকে ব্যবহার করা হয়, তাকে সংযোজক বলে। সংযোজক সদর্থক হতে পারে, আবার নঞর্থকও হতে পারে।
যেমন - সকল মানুষ হয় মরণশীল জীব। 
 এখানে "হয়" উদ্দেশ্য এবং বিধেয়কদকে যুক্ত করেছে তাই "হয়" হল সংযোজক।

7. নিরপেক্ষ বচনের ক-টি অংশ ও কী কী?

সাধারণভাবে 'বচন' বলতে নিরপেক্ষ বচনকেই আমরা বুঝে থাকি, একটি নিরপেক্ষ বচনকে যদি আমরা বিশ্লেষণ করতে যাই, তবে দেখব এর প্রধান মোট চারটি ভাগ রয়েছে, চারটি ভাগ নিচে দেখানো হলো - 
[ক] পরিমাণক (Quantifier), 
[খ] উদ্দেশ্য (Subject), 
[গ] সংযোজক (Copula), 
[ঘ] বিধেয় (Predicate)।

8. সম্বন্ধ অনুসারে বচন কতপ্রকার ও কী কী?

সম্বন্ধ অনুসারে বচনকে সাধারণত দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়  
i) নিরপেক্ষ বচন বা অনপেক্ষ বচন ।
ii) অনিরপেক্ষ বচন বা সাপেক্ষ বচন ।

9. নিরপেক্ষ বচন কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

নিরপেক্ষ বচন বা অনপেক্ষ বচন: যে-বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের সম্বন্ধ অন্য কোনো শর্তের ওপর নির্ভর করে না, তাকে নিরপেক্ষ বচন বলে। নিরপেক্ষ বচন স্বনির্ভর, স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ। এতে বিধেয়কে নিঃশর্তভাবেই উদ্দেশ্য সম্বন্ধে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়।
> উদাহরণ:
a. সকল মানুষ হয় মরণশীল।
b. কোনো মানুষ নয় অমর।
d. কোনো কোনো মানুষ নয় জ্ঞানী। 

এই উদাহরণগুলিতে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের সম্বন্ধ অন্য কোনো শর্তের ওপর নির্ভর করে না।

10. সাপেক্ষ বচন কত প্রকার ও কী কী?

অ-নিরপেক্ষ বা সাপেক্ষ বচন: 

যে-বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের সম্বন্ধ স্বতন্ত্র কোনো শর্তের ওপর নির্ভর করে, তাকে সাপেক্ষ বচন বলে। সাপেক্ষ বচন শর্ত-নির্ভর। এতে বিধেয়কে কোনো নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে উদ্দেশ্য সম্বন্ধে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়।

> উদাহরণ:
a. যদি রহিম আসে, তাহলে আমি যাব।
b. নজরুল কবি, অথবা দার্শনিক । ইত্যাদি

এই উদাহরণগুলিতে বিধেয়গুলি উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করছে এবং এই স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি স্পষ্টই কোনো-না-কোনো শর্তের ওপর নির্ভর করছে। এই কারণে এই বচনগুলিকে সাপেক্ষ বচন বলা হয়।


11. প্রাকল্পিক বচন কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও। 

প্রাকল্পিক বচন এটি সাপেক্ষ বচনেরই একটি ভাগ,
প্রাকল্পিক বচন: 
যে-সাপেক্ষ বচনে শর্তটি স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট করা থাকে, এবং 'যদি তবে' ওই জাতীয় কোনো শব্দের সাহায্যে শর্তটি ব্যক্ত করা হয়, তাকে প্রাকল্পিক বচন বলা হয়। প্রাকল্পিক বচন সাধারণত 'যদি' দিয়ে আরম্ভ হয়। 'যদি'-র সাহায্যেই এই বচনের শর্ত প্রকাশ করা হয়।

উদাহরণ - যদি রহিম খায়, তবে আমি খাব না।

12. বৈকল্পিক বচন কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

বৈকল্পিক বচন এটিও সাপেক্ষ বচনের অন্য একটিভাগ,
বৈকল্পিক বচন: 
যে-সাপেক্ষ বচনে দুটি বিরুদ্ধ সম্ভাবনাকে পৃথক সম্ভাবনা হিসেবে নির্দেশ করে এবং এই দুটি বক্তব্যকে 'হয়-না-হয়', 'অথবা' বা ওই জাতীয় শব্দ দিয়ে যুক্ত করে, সেই সাপেক্ষ বচনকে বৈকল্পিক বচন বলে। বৈকল্পিক বচনে সাধারণত 'হয়-না-হয়', 'হয়-অথবা' দিয়ে শর্তটি ব্যক্ত হয়।
উদাহরণ - হয় সে চাকুরীজীবী , না হয় ব্যবসায়ী

13. গুণ অনুসারে নিরপেক্ষ বচনের প্রকারগুলি কী কী?

'গুণ' অনুসারে বচনকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-
i. সদর্থক বচন বা হ্যাঁ-বাচক বচন (Affirmative Proposition) এবং
ii. নঞর্থক বচন বা না-বাচক বচন (Negative Proposition)

14. সদর্থক বচন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

সদর্থক বচন: 
কোনো বচনে উদ্দেশ্যের সঙ্গে বিধেয়ের সম্বন্ধ যদি অস্তিত্বমূলক হয় অর্থাৎ যে-বচনে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদ সম্বন্ধে স্বীকার করা হয়, তাকে সদর্থক বা হ্যাঁ-বাচক বচন বলে।
উদাহরণ:
a. সকল মানুষ হয় মরণশীল।
b. কোনো কোনো মানুষ হয় পরিশ্রমী।

15. নঞর্থক বচন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

নঞর্থক বচন: 
কোনো বচনে উদ্দেশ্যের সঙ্গে বিধেয়ের সম্বন্ধ নেতিবাচক হলে তাকে নঞর্থক বচন বলতে হয়। অর্থাৎ যে-বচনে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদ সম্বন্ধে অস্বীকার করা হয়, তাকে নঞর্থক বা না-বাচক বচন বলে।

উদাহরণ:
a. কোনো মানুষ নয় অমর।

16. বচনের পরিমাণ বলতে কী বোঝায়?

বচনের 'পরিমাণ' বলতে উদ্দেশ্য পদের বাচ্যার্থের পরিমাণকে বোঝায়। একটি নিরপেক্ষ বচনে বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদ সম্বন্ধে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে। পদ হিসেবে উদ্দেশ্য পদ কোনো শ্রেণিকে নির্দেশ করে। এই শ্রেণি সমগ্র হতে পারে, আবার অংশও হতে পারে। উদ্দেশ্য পদের এই সমগ্র বা অংশকে নিরপেক্ষ বচনের পরিমাণ হিসেবে দেখা হয় এবং পরিমাণের দিকটি পরিমাণক বা মানক (quantifier)- এর দ্বারা প্রকাশিত হয়। এইসব পরিমাণক হল 'সকল', 'কোনো' এবং 'কোনো কোনো' ইত্যাদি।

17. পরিমাণ অনুসারে বচনের প্রকারগুলি কী কী?

'পরিমাণ' অনুসারে বচনকে দু-ভাগে ভাগ করা সম্ভব-
i. সামান্য বচন বা সার্বিক বচন (Universal Proposition) এবং 
ii. বিশেষ বচন বা আংশিক বচন (Particular Proposition)।

বচনে উদ্দেশ্য পদের প্রয়োগ ক্ষেত্রের ব্যাপকতা অনুসারেই এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়ে থাকে।

18. সামান্য বা সার্বিক বচন কাকে বলে?

সামান্য বচন: 
যে-বচনে বিধেয়টি সমগ্র উদ্দেশ্য সম্বন্ধে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, সেই বচনকে সামান্য বচন বলে।
 উদাহরণ:
a. সকল মানুষ হয় মরণশীল।
b. কোনো মানুষ নয় অমর। ইত্যাদি।

19. বিশেষ বা আংশিক বচন কাকে বলে?

বিশেষ বচন: 
যে-বচনে মাত্র আংশিক উদ্দেশ্য সম্বন্ধে বিধেয়কে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, সেই বচনকে বিশেষ বচন বলে। অন্যভাবে বলা যায়, যে-বচনে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের বাচ্যার্থের একটি অনির্দিষ্ট অংশ সম্বন্ধে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, তাকে বিশেষ বচন বলে। এই বক্তব্য সদর্থকও হতে পারে, নঞর্থকও হতে পারে।
উদাহরণ:
a. কোনো কোনো মানুষ হয় বুদ্ধিমান।
b. কোনো কোনো মানুষ নয় পরিশ্রমী। ইত্যাদি।

20. পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝায়?

পদের ব্যাপ্যতা [Distribution of Terms]:
একটি বচনে দুটি পদ থাকে-উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ। পদের সাধারণত দুটি অর্থ থাকে। একটিকে বলা হয় বাচ্যার্থ বা ব্যক্তার্থ (Denotation), আর অপরটিকে বলা হয় জাত্যার্থ বা লক্ষণার্থ (Connotation)। পদের ব্যক্তার্থ বা বাচ্যার্থ বলতে পদটি যেসব ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তাদের সমগ্রকে বোঝায়। 'মানুষ' পদটির ব্যক্তার্থ হল অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সর্বকালের সব মানুষ। তাই পৃথিবীর সকল মানুষ হল 'মানুষ' পদের বাচ্যার্থ। আবার পদের জাত্যার্থ বলতে সেই জাতি বা শ্রেণির মধ্যে বর্তমান অনিবার্য ও আবশ্যিক গুণগুলিকে বোঝায়। যেমন- মানুষের আবশ্যিক গুণ হল 'জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি'। বাচ্যার্থের দিক থেকে পদ দুটি ব্যাপ্য হতে পারে বা অব্যাপ্য হতে পারে। পদের ব্যাপ্যতা হল ব্যাপ্য পদের ধর্ম।

পদের ব্যাপ্যতা বলতে পদটির সম্পূর্ণ বাচ্যার্থ বা ব্যক্ত্যার্থ-কে বোঝানো হয়।

21. বৈধতা বলতে কী বোঝো? 

বৈধতা [Validity]:
যুক্তির বৈধতা আলোচনা প্রসঙ্গে প্রথমে মনে রাখা প্রয়োজন যে 'বৈধতা' বা 'অবৈধতা'-র প্রশ্নটি কেবল যুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে বচন বা তর্কবাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। বচনের ক্ষেত্রে সমীচীন প্রশ্নটি হল সত্যতা ও মিথ্যাত্ব-এর। বচনটি যে-উপাদান দিয়ে গঠিত হয় তার সঙ্গে যদি বাস্তব জগতের মিল থাকে তখন তাকে সত্য বলা হয় আর যখন বচনটির উপাদানের সঙ্গে বাস্তব জগতের অমিল বা অসংগতি থাকে তখন তাকে মিথ্যা বলা হয়।

বৈধতার লক্ষণ হল:

i. যুক্তিবাক্য থেকে সিদ্ধান্ত অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হওয়া।
ii. যুক্তিপদ্ধতির নিয়মগুলি যথাযথভাবে অনুসরণ করা।
iii. বৈধ যুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তিবাক্য সত্য অথচ সিদ্ধান্ত মিথ্যা কখনোই সম্ভব নয়।
iv. বৈধ যুক্তির যুক্তিবাক্য বা যুক্তিবাক্যগুলি স্বীকার করে নিলে সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করা যায় না।
V. যুক্তির বৈধতা যুক্তির যুক্তিবাক্য ও সিদ্ধান্তের প্রসক্তি সম্বন্ধের দ্বারা নির্ধারিত আকারগুলির ওপর নির্ভর করে।

22. সত্যতা বলতে কী বোঝো?

সত্যতা [Truth]:
'সত্যতা' বা 'মিথ্যাত্ব' বচনের গুণ। তাই 'সত্যতা' (Truth) ও 'মিথ্যাত্ব' (Falsity) বচন সম্পর্কেই প্রযোজ্য অর্থাৎ

যুক্তিবিদ্যায় বচনকেই সত্য বা মিথ্যা বলা হয়। কোনো বচন সত্য হয় তখনই, যখন তা বাস্তবানুগ হয়। যেমন, 'মানুষ হয় প্রাণী' এই বচনটি সত্য। 'সত্যতা' বলতে আমরা বাস্তব সত্যতা বা বস্তুগত সত্যতাকে বুঝি। যেমন, 'সকল মানুষ হয় মরণশীল' এই বচনটি সত্য, বলতে বোঝানো হয় যে, এই বচনে যা বর্ণনা করা হচ্ছে সেরূপ বিষয় বাস্তবে আছে।
সত্যতা দু-প্রকার-আকারগত ও বস্তুগত (Formal and Material)।


সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নাবলি [Type-II] 

প্রতিটি প্রশ্নের মান 3


1. বাক্যের অংশগুলি কী কী? উদাহরণসহ লেখো।
2. বচনের, বিভিন্ন অংশ বা অবয়বগুলি আলোচনা করো।
3. নিরপেক্ষ বচনে সংযোজকের ভূমিকা কী?
4. বাক্য ও বচনের সাদৃশ্য কী?
5. বাক্য ও বচনের তিনটি পার্থক্য দেখাও।
6. উদাহরণসহ নিরপেক্ষ ও সাপেক্ষ বচনের পার্থক্য দেখাও। 


একাদশ শ্রেণী দর্শন, দ্বিতীয় সেমিস্টার, দ্বিতীয় অধ্যায় এর নিচের প্রশ্ন গুলির নিজে সমাধান করো 

নিজে করো (প্রশ্নের মান - ২) 

১.  আকারগত বৈধতা কাকে বলে?
২. সত্যতা ও বৈধতার সম্পর্ক কী? 
৩.  গুণ ও পরিমাণ অনুযায়ী নিরপেক্ষ বচন কত প্রকার ও কী কী?
৪. সাপেক্ষ বচন কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
৫.  বিধেয় পদ কাকে বলে?
৬.  বচনের সঙ্গে বাক্যের একটি পার্থক্য উল্লেখ করো।
৭.  বৈকল্পিক বচনের অন্তর্গত সরল বচনগুলিকে কী বলে?
৮. প্রাকল্পিক বচনের গুণ কীভাবে নির্ধারিত হয়?
৯. বৈকল্পিক বচনের গুণ ও ও পরিমাণ কীভাবে নির্ধারিত হয়?
১০. বচন ও বচনাকারের পার্থক্য কী?
১১. বচনাকার কাকে বলে? 
১২. বচনের গুণ বলতে কী বোঝায়?
১৩. আকারগত সত্যতা কাকে বলে?
১৪. বস্তুগত সত্যতা কাকে বলে?
১৫. একটি বৈধ যুক্তির উদাহরণ দাও। 37. একটি অবৈধ যুক্তির উদাহরণ দাও।
১৬. একটি বৈধ যুক্তির উদাহরণ দাও যার হেতুবাক্য মিথ্যা কিন্তু সিদ্ধান্ত সত্য।
১৭. একটি বৈধযুক্তির উদাহরণ দাও যার হেতুবাক্য সত্য ও সিদ্ধান্ত সত্য।
১৮. একটি অবৈধ যুক্তির উদাহরণ দাও যার হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্ত উভয়ই সত্য।


নিজে করো (প্রশ্নের মান - ৩)  

১.  সংযোজকের স্বরূপ বা প্রকৃতি আলোচনা করো। 
২. বচন ও বচনাকারের পার্থক্য দেখাও।
৩. গুণ ও পরিমাণ অনুসারে নিরপেক্ষ বচনের শ্রেণিবিন্যাস করো এবং প্রতিটির দৃষ্টান্ত দাও।
৪. নিরপেক্ষ বচনের স্বরূপগত বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। 
৫. 'সব বচনই বাক্য, কিন্তু সব বাক্যই বচন নয়' আলোচনা করো। 
৬. বচনের সত্যতা কি যুক্তির বৈধতা নির্ণয় করে? 
৭. নিরপেক্ষ বচনের গুণ ও পরিমাণ বলতে কী বোঝো?  উদাহরণসহ লেখো। 
৮. বৈধতা ও সত্যতার পার্থক্য দেখাও।

৯.  নিম্নলিখিত বাক্যগুলিকে তর্কবিদ্যাসম্মত বচনে রূপান্তর করো এবং তাদের গুণ ও পরিমাণ নির্দেশ করো। 
[i] কবি মাত্রই ভাবুক।
[ii] কোনো কিছুই একসঙ্গে সাদা ও কালো নয়। 
[iii] সাদা বাঘ আছে।
[iv] অসৎ ব্যক্তিরা কখনোই সুখী হয় না। 
[v] কেবলমাত্র হিন্দুরাই শিবপূজা করে।

১০. গুণ অনুসারে নিরপেক্ষ বচনের শ্রেণিবিভাগ করো। (উদাহরণ সহ)।
১১. পরিমাণ অনুসারে নিরপেক্ষ বচনের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ দেখাও।
১২. পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝায়?
১৩. বিভিন্ন নিরপেক্ষ বচনে পদের ব্যাপ্যতা নির্দেশ করো।

১৪. নীচের বাক্যগুলিকে তর্কবিদ্যাসম্মত বচনে রূপান্তর করো ও কোন্ কোন্ পদ ব্যাপ্য এবং কোন্ কোন্ পদ অব্যাপ্য তা উল্লেখ করো।
[i] অমেরুদণ্ডী প্রাণীরা স্তন্যপায়ী হতে পারে না। 
[ii] একজন ছাড়া সব ছাত্র উপস্থিত।
[iii] মূল্যবান পুস্তক কদাচিৎ পঠিত হয়। 
[iv] প্রত্যেক বিজ্ঞানীই দার্শনিক। 
[v] যেখানেই ধূম সেখানেই অগ্নি। 


  • একাদশ শ্রেণীর দর্শন দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর
  • একাদশ শ্রেণীর দর্শন দ্বিতীয় সেমিস্টার দ্বিতীয় অধ্যায় SAQ
  • একাদশ শ্রেণীর দর্শন নতুন সিলেবাস দ্বিতীয় সেমিস্টার 
  • ক্লাস 11 দর্শন অধ্যায় 2 প্রশ্ন উত্তর
  • Class 11 philosophy New syllabus in bengali west bengal board
  • Class 11 1st semester philosophy New syllabus WB


একাদশ শ্রেণী দর্শন দ্বিতীয় সেমিস্টার, দ্বিতীয় অধ্যায়, পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা প্রশ্ন উত্তর | Class 11, 2nd semester, Second Chapter Pode, Bakko, Bochon, Poder bappota, Sottota o Boidhota Questions and Answers | Class XI, Semester II, Philosophy, Second Chapter Questions and Answers 


Post a Comment

0 Comments

Top Post Ad

Below Post Ad