মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় | WBBSE Class 8 Paribesh O Bigyan Chapter 2 Question Answer
আজকে আমরা আলোচনা করবো তোমাদের অষ্টম ক্লাসের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিষয়টির দ্বিতীয় অধ্যায় মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পর্কে । এই দ্বিতীয় অধ্যায়টি তোমাদের পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই দ্বিতীয় অধ্যায় এর মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আমরা এই লিখাটির মাধ্যমে অষ্টম শ্রেণীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, এই "মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া" অধ্যায়ের সাজেশন , কিকরে এই অধ্যায় থেকে উত্তর লিখতে হয়। অষ্টম শ্রেণীর মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায় থেকে কিভাবে পড়বে সবকিছুই আলোচনা করবো।
অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর : "মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া" (দ্বিতীয় অধ্যায় ক্লাস 8) West Bengal Class 8 Poribesh O Bigyan : অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া (দ্বিতীয় অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 8 Poribesh O Biggan নিচে দেওয়া হলো। এই অষ্টম শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – WBBSE Class 8 Poribesh O Bigyan Question and Answer, Suggestion, Notes PDF and Free Download Books Class 8 WBBSE – "মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া" (Class 8 দ্বিতীয় অধ্যায়) থেকে বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (MCQ, Very Short, Short, Descriptive Question and Answer, Free PDF note and download) গুলি আগামী West Bengal Class 8th Six VI Poribesh O Biggan Examination এর জন্য ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ – এই অধ্যায়টি পশ্চিমবঙ্গ অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট এবং ভীষণভাবে উপযোগী ।
MCQ প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর - WB Class Six Poribesh O Bigyan Suggestion | অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া (দ্বিতীয় অধ্যায়)
প্রশ্নঃ- যে কণাটি নিউক্লিয়াসে থাকে না সেটি হল
(ক) প্রোটন
(খ) নিউট্রন
(গ) ইলেকট্রন
(ঘ) মেসন
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- নীচের কোন্ অক্সাইডটি উভধর্মী?
(ক) কার্বন ডাইঅক্সাইড
(খ) ক্যালশিয়াম অক্সাইড
(গ) জিংক অক্সাইড
(ঘ) সালফার ডাইঅক্সাইড
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- কঠিনের নিজস্ব
(ক) আয়তন আছে
(খ) আকৃতি আছে
(গ) A ও B উভয়ই সত্য
(ঘ) A ও B কোনোটিই সত্য নয়
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- ভরসংখ্যা হল—
(ক) নিউট্রন + ইলেকট্রন
(খ) ইলেকট্রন + প্রোটন
(গ) নিউট্রন – প্রোটন
(ঘ) নিউট্রন + প্রোটন
উত্তর:- ঘ
(৩) কিউপ্রিক নাইট্রেটকে উত্তপ্ত করলে যে বাদামি রঙের গ্যাস নির্গত হয়, তার নাম-
(ক) নাইট্রাস অক্সাইড
(খ) নাইট্রিক অক্সাইড
(গ) নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড
(ঘ) নাইট্রোজেন
উত্তর- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ।
প্রশ্নঃ- কঠিন অনুঘটক সম্বন্ধে কোন বিবৃতিটি ঠিক নয়-
(ক) অনুঘটক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে
(খ) অনুঘটক বিক্রয় অংশগ্রহণ করে না
(গ) পরীক্ষার ভিত্তিতেই অনুঘটক নির্বাচন করতে হয়
(ঘ) অনুঘটক বড় করে রাখায় বিক্রি আবেগ বেড়ে যায়
উত্তর- অনুঘটক বিক্রিয়া অংশগ্রহণ করে না।
প্রশ্নঃ- তরল ফুটে বাষ্পে পরিণত হওয়াকে বলে—
(ক) বাষ্পায়ন
(খ) স্কুটন
(গ) গলন
(ঘ) ঘনীভবন
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- কোন পদার্থটি তড়িতের সুপরিবাহী নয়?
(ক) কয়লা
(খ) গ্রাফাইট
(গ) রুপো
(ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- Sn2+ = Sn4+ + 2e– এটি একটি –
(ক) দহন বিক্রিয়া
(খ) জারণ বিক্রিয়া
(গ) বিজারণ বিক্রিয়া
(ঘ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
উত্তর – জারণ বিক্রিয়া।
প্রশ্নঃ- মিথেনে সমযোজী বন্ধন আছে—
(ক) 2 টি
(খ) 3 টি
(গ) 4টি
(ঘ) 5 টি
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পদার্থ কী নামে পরিচিত?
(ক) অনুঘটক
(খ) বিক্রিয়াজাত পদার্থ
(গ) বিক্রিয়ক
(ঘ) প্রভাবক
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে নীচের কোনটি প্রভাবক?
(ক) উষ্ণতা
(খ) আলো
(গ) চাপ
(ঘ) সবকটিই
উত্তর:- ঘ
প্রশ্নঃ- তড়িদবিশ্লেষণ সম্পর্কে নীচের কোন্ উক্তিটি সঠিক নয়?
(ক) কঠিন অবস্থাতে তড়িদবিশ্লেষ্য পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চালনা করে তড়িবিশ্লেষণ করা যায়
(খ) ক্যাথোডে বিজারণ ঘটে
(গ) তড়িদ্বারের প্রকৃতি তড়িদবিশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে
(ঘ) তড়িদবিশ্লেষণের পূর্বে ও পরে তড়িবিশ্লেষ্য দ্রবণের রং-এর পরিবর্তন ঘটতে পারে
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- ইউরিয়ার সঙ্গে জলের বিক্রিয়া ঘটিয়ে অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করতে কোন অনুঘটক প্রয়োজন?
(ক) MnO2
(খ) ইউরিয়েজ
(গ) ক্যাটালেজ
(ঘ) জল
উত্তর- ইউরিয়েজ ।
প্রশ্নঃ- গ্যালভানাইজেশন পদ্ধতিতে লোহার ওপর কোন ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়-
(ক) Zn
(খ) Au
(গ) Pt
(ঘ) Ni
উত্তর- Zn
প্রশ্নঃ- খাদ্যলবণের গলনাঙ্ক হল—
(ক) 1063°C
(খ) 801°C
(গ) 1530°C
(ঘ) 0°C
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- নিউক্লিয়াসের স্থায়িত্ব রক্ষাকারী বল হল—
(ক) মহাকর্ষ বল
(খ) স্থির-তাড়িতিক বল
(গ) নিউক্লীয় বল
(ঘ) তড়িচ্চুম্বকীয় বল
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- আর্থরাইটিস রোগে নীচের কোন উপসর্গ দেখা যায়?
(ক) রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া
(খ) রক্তাল্পতা
(গ) অস্থিসন্ধির ক্ষয়
(ঘ) দেহের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়া
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- দহন একপ্রকার –
(ক) জারণ প্রক্রিয়া
(খ) বিজারণ প্রক্রিয়া
(গ) জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া
(ঘ) কোনোটিই নয়।
উত্তর- জারণ প্রক্রিয়া
প্রশ্নঃ- জৈব অনুঘটক গুলি প্রধানত-
(ক) কার্বোহাইড্রেট জাতীয়
(খ) প্রোটিন জাতীয়
(গ) ফ্যাট জাতীয়
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর- প্রোটিন জাতীয়।
প্রশ্নঃ- ভরসংখ্যা হল—
(ক) নিউট্রন + ইলেকট্রন
(খ) ইলেকট্রন + প্রোটন
(গ) নিউট্রন – প্রোটন
(ঘ) নিউট্রন + প্রোটন
উত্তর:- ঘ
প্রশ্নঃ- নিম্ন প্রদত্ত কোন ধাতুটি কোনো অবস্থাতেই জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না?
(ক) সোডিয়াম
(খ) রুপো
(গ) লোহা
(ঘ) ক্যালশিয়াম
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- স্পর্শ করলে হাতে লেগে যায়
(ক) মোম
(খ) আলকাতরা
(গ) লোহা
(ঘ) কাঠ
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- অনুঘটকের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়-
(ক) আয়তনের ওপর
(খ) ভরের ওপর
(গ) ক্ষেত্রফলের ওপর
(ঘ) ঘনত্বের ওপর
উত্তর- ক্ষেত্রফলের ওপর ।
প্রশ্নঃ- সাধারণ হাইড্রোজেনের তুলনায় জায়মান হাইড্রোজেনের
(ক) জারণ ক্ষমতা বেশি
(খ) বিজারণ ক্ষমতা বেশি
(গ) স্থায়িত্ব বেশি
(ঘ) যোজ্যতার মান বেশি
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- একটি রুপোর হারে সোনার প্রলেপ দেওয়ার জন্য অ্যানোডরূপে ব্যবহৃত হয়
(ক) Pt
(খ) Ag
(গ) Au
(ঘ) Mg
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- ক্যাথোডে সংঘটিত হয়
(ক) জারণ
(খ) বিজারণ
(গ) প্রতিস্থাপন
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- বিজারণের অর্থ হল-
(ক) অক্সিজেন গ্রহণ
(খ) হাইড্রোজেন বর্জন
(গ) ইলেকট্রন গ্রহণ
(ঘ) ইলেকট্রন বর্জন
উত্তর- ইলেকট্রন গ্রহণ।
প্রশ্নঃ- গলিত NaCl -এর তড়িবিশ্লেষণ করলে অ্যানোডে জমা হবে
(ক) Na
(খ) H2
(গ) H2O
(ঘ) Cl2
উত্তর:- ঘ
প্রশ্নঃ- জলে ক-টি সমযোজী বন্ধন আছে?
(ক) 3 টি
(খ) 2 টি
(গ) 1 টি
(ঘ) 4টি
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- কোনটি জলীয় দ্রবণে বিয়োজিত হলে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আয়ন উৎপন্ন করবে
(ক) NaCl
(খ) K2SO4
(গ) CaSO4
(ঘ) Na3PO4
উত্তর:- ঘ
প্রশ্নঃ- মানবদেহের প্রতি 100g ভরে নাইট্রোজেন থাকে—
(ক) 9.99g
(খ) 2.57g
(গ) 1.11g
(ঘ) 11.11g
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- মানবদেহের প্রতি 100g ভরে নাইট্রোজেন থাকে—
(ক) 9.99g
(খ) 2.57g
(গ) 1.11g
(ঘ) 11.11g
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- SO3 -এর বিজারণে SO2 উৎপন্ন হওয়ার সময় সালফারের যোজ্যতা—
(ক) বাড়ে
(খ) কমে
(গ) একই থাকে
(ঘ) A ও C উভয়ই হতে পারে
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- নিউক্লিয়াসের স্থায়িত্ব রক্ষাকারী বল হল—
(ক) মহাকর্ষ বল
(খ) স্থির-তাড়িতিক বল
(গ) নিউক্লীয় বল
(ঘ) তড়িচ্চুম্বকীয় বল
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ—
(ক) আম্লিক
(খ) ক্ষারীয়
(গ) প্রশম
(ঘ) বলা যায় না
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- কোনো মৌল বা যৌগের সঙ্গে ক্লোরিন যুক্ত হলে—
(ক) জারণ হয়
(খ) বিজারণ হয়
(গ) অধঃক্ষেপণ হয়
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- নীচের কোন পদার্থটি তড়িতের সুপরিবাহী নয়?
(ক) কাঠ
(খ) তামা
(গ) লোহা
(ঘ) গ্রাফাইট
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- সোনার গলনাঙ্ক হল—
(ক) 1063°C
(খ) 801°C
(গ) 1530°C
(ঘ) 1200°C
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- বর্ণহীন তরল পদার্থ হল—
(ক) পারদ
(খ) জল
(গ) ব্রোমিন
(ঘ) কেরোসিন
উত্তর:- খ
প্রশ্নঃ- ঝালাই করার সময় অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন গ্যাসের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়—
(ক) তাপ
(খ) আলো
(গ) তাপ ও আলো
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- 2Cu(NO3)2⟶2CuO+4NO2+O2, বিক্রিয়াটির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রভাবক হল—
(ক) তাপ
(খ) আলো
(গ) চাপ
(ঘ) দ্রাবক
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- যে যৌগের অণুতে দ্বিবন্ধন দেখা যায়, সেটি হল
(ক) Cl2
(খ) H2
(গ) O2
(ঘ) CHCl3
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- বাদামি বর্ণের গ্যাস হল—
(ক) নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড
(খ) ক্লোরিন
(গ) হাইড্রোজেন
(ঘ) অ্যামোনিয়া
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- নিউক্লিয়াসের স্থায়িত্ব রক্ষাকারী বল হল—
(ক) মহাকর্ষ বল
(খ) স্থির-তাড়িতিক বল
(গ) নিউক্লীয় বল
(ঘ) তড়িচ্চুম্বকীয় বল
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- নীচের কোটি তড়িবিশ্লেষণ প্রক্রিয়ার ব্যাবহারিক প্রয়োগ নয়?
(ক) ধাতু নিষ্কাশন
(খ) ধাতু পরিশোধন
(গ) তড়িৎলেপন
(ঘ) তড়িৎ পরিবহণ
উত্তর:- ঘ
প্রশ্নঃ- লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের সঙ্গে জিংকের বিক্রিয়ায় যে গ্যাস উৎপন্ন হয় তা হল
(ক) অক্সিজেন
(খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
(গ) হাইড্রোজেন
(ঘ) নাইট্রোজেন
উত্তর:- গ
প্রশ্নঃ- গন্ধ হল পদার্থের
(ক) ভৌত ধর্ম
(খ) রাসায়নিক ধর্ম
(গ) চৌম্বক ধর্ম
(ঘ) A ও B উভয়ই
উত্তর:- ক
প্রশ্নঃ- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে খাদ্যে যে শক্তিতে পরিণত করে তা হল
(ক) রাসায়নিক শক্তি
(খ) তাপ শক্তি
(গ) গতিশক্তি
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:- ক
(শূন্যস্থান পূরন করো - অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – দ্বিতীয় অধ্যায় "মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া" প্রশ্ন ও উত্তর | WBBSE Class 8th Poribesh O Biggan Question and Answer)
প্রশ্নঃ- ইলেকট্রনীয় মতবাদ অনুসারে জারক পদার্থ ইলেকট্রন ______করে।
উত্তর:- গ্রহণ
প্রশ্নঃ- কঠিনের নিজস্ব ______ও ______ আছে।
উত্তর:- আয়তন, আকৃতি
প্রশ্নঃ- জল আর বাতাসের ______সঙ্গে বিক্রিয়ায় লোহায় মরচে পড়ে। (শূন্যস্থান পূরন করো) উত্তর:- অক্সিজেনের
প্রশ্নঃ- তড়িৎলেপনের সময় যে বস্তুর ওপর ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ______ রূপে ব্যবহার করতে হবে।
উত্তর:- ক্যাথোড
প্রশ্নঃ- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় এরূপ একটি তড়িৎযোজী যৌগের নাম হল ______।
উত্তর:- খাদ্যলবণ (NaCl)
প্রশ্নঃ- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাকে ______বিক্রিয়া বলে।
উত্তর:- তাপমোচী
প্রশ্নঃ- যৌগে কেন্দ্রীয় পরমাণু ______।
প্রশ্নঃ- বেঞ্জিন ______ দ্বারা গঠিত পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে না।
উত্তর:- আয়ন
প্রশ্নঃ- FeO+CO⟶Fe+CO2 -এর বিক্রিয়ায় বিজারক পদার্থ হল ______।
উত্তর:- গO
প্রশ্নঃ- ZnO+C→Zn+CO বিক্রিয়ায় ______ জারিত ও______ বিজারিত হয়েছে ।
উত্তর:- গ, ZnO
প্রশ্নঃ- বালবের ______ তড়িৎপ্রবাহের ফলে উত্তপ্ত হয়ে আলো দেয়।
উত্তর:- ফিলামেন্ট
এক কথায় উত্তর দাও । ক্লাস 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় (মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া)
প্রশ্নঃ- একটি কঠিন বিজারণধর্মী মৌলের উদাহরণ দাও।
উত্তর:- সোডিয়াম।
প্রশ্নঃ- একটি অম্লধর্মী বিজারকের নাম লেখো।
উত্তর:- ফরমিক অ্যাসিড।
প্রশ্নঃ- গ্যালভানাইজেশন কাকে বলে?
উত্তর:- তড়িবিশ্লেষণ পদ্ধতিতে লোহার উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে।
প্রশ্নঃ- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো যৌগ থেকে অক্সিজেন অপসারিত হয় তাকে কী বলে?
উত্তর:- বিজারণ।
প্রশ্নঃ- একটি গ্যাসীয় মৌলের নাম লেখো যা জারণধর্মী।
উত্তর:- ক্লোরিন।
প্রশ্নঃ- একটি গ্যাসীয় বিজারকের নাম লেখো।
উত্তর:- অ্যামোনিয়া।
প্রশ্নঃ- একটি তরল বিজারকের নাম লেখো।
উত্তর:- পারদ।
প্রশ্নঃ- তাপের প্রভাবে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটার একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর:- জলযুক্ত কিউপ্রাস নাইট্রেটের নীল ক্রিস্টালকে উত্তপ্ত করলে নীল ক্রিস্টাল কালো গুঁড়োয় পরিণত হয় ও বাদামি বর্ণের ধোঁয়া নির্গত হয়।
প্রশ্নঃ- কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার শুরুতে কী প্রয়োজন হয়?
উত্তর:- শক্তি।
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় দ্রাবকের ভূমিকা কী?
উত্তর:- দ্রাবকের অণুগুলি যখন বিক্রিয়কের অণু বা আয়নকে আলাদা করে ফেলে তখন বিক্রিয়া শুরু হয়।
প্রশ্নঃ- অনুঘটক সবসময় সূক্ষ্ম গুঁড়ো হিসেবে ব্যবহার করতে হয় কেন?
উত্তর:- অনুঘটক সূক্ষ্মভাবে গুঁড়ো করলে তার ক্ষেত্রফল বাড়ে। অনুঘটকের কাজও তাড়াতাড়ি ঘটে।
প্রশ্নঃ- উৎসেচক কোন্ প্রকারের অনুঘটক?
উত্তর:- উৎসেচক একটি জৈব অনুঘটক।
প্রশ্নঃ- আলুতে কোন্ এনজাইম থাকে?
উত্তর:- ক্যাটালেজ এনজাইম থাকে।
প্রশ্নঃ- মেটে বা লিভারে কোন্ এনজাইম থাকে?
উত্তর:- ক্যাটালেজ এনজাইম থাকে।
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থগুলিকে কী বলে?
উত্তর:- বিক্রিয়াজাত পদার্থ বা বিক্রিয়ালব্ধ পদার্থ।
প্রশ্নঃ- 2Mg + O2 → 2MgO বিক্রিয়ায় বিকারক কোনগুলি?
উত্তর:- Mg এবং O, বিকারক।
প্রশ্নঃ- .2KClO3 → 2KCI + 3O, বিক্রিয়ায় বিক্রিয়াজাত পদার্থ কোনগুলি
উত্তর:- KCI এবং O, বিক্রিয়াজাত পদার্থ।
প্রশ্নঃ- ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটার একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর:- চুনে জল মেশালে চুন ফুটতে থাকে ও কলিচুন উৎপন্ন হয়। CaO + H2O → Ca(OH)2
প্রশ্নঃ- অড়হর ডাল ও তরমুজের বীজে কোন্ এনজাইম থাকে?
উত্তর:- ইউরিয়েজ এনজাইম থাকে।
প্রশ্নঃ- কোন্ জৈব অনুঘটক ইউরিয়া ও জলের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে?
উত্তর:- ইউরিয়েজ নামক এনজাইম।
প্রশ্নঃ- কোন্ জৈব অনুঘটক হাইড্রোজেন পারক্সাইডের বিয়োজন দ্রুত ঘটায়?
উত্তর:- ক্যাটালেজ নামক এনজাইম।
অষ্টম শ্রেণীর রাসায়নিক বিক্রিয়া বড়ো প্রশ্ন ও উত্তর pdf,ক্লাস 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর রাসায়নিক বিক্রিয়া
প্রশ্নঃ- বিক্রিয়ক কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- বিক্রিয়ক : যেসব পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাদের বিক্রিয়ক বা বিকারক বা বিক্রিয়াকারী পদার্থ বলে।
প্রশ্নঃ- তড়িৎলেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং-এর উদ্দেশ্য কী?
উত্তর:- ইলেকট্রোপ্লেটিং এর উদ্দেশ্য : (i) ধাতব পদার্থগুলিকে জলবায়ুর প্রকোপ থেকে রক্ষা করা।
(ii) ধাতব পদার্থের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা।
প্রশ্নঃ- অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- যে পদার্থ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শুধু উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় বা কমায় এবং বিভি শেষে পদার্থটির ভর ও রাসায়নিক গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকে অনুঘটক বলে।
প্রশ্নঃ- ভিজে হাতে ইলেকট্রিক সুইচে হাত দেওয়া উচিত নয় কেন?
উত্তর:- বিশুদ্ধ জল তড়িৎ এর সুপরিবাহী নয়। কিন্তু জলে উপস্থিত একাধিক লবণ বা ধাতব যৌগ তড়িৎ পরিবাহী করে তোলে। এই কারণে ভিজে হাতে সুইচ বা অন্য কোন ইলেকট্রিকের সরঞ্জামে হাত দিলে শক লাগার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভিজে হাতে কখনোই ইলেকট্রিকের সুইচে হাত দিতে নেই।
প্রশ্নঃ- তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে?
উত্তর:- যে প্রক্রিয়ায় গলিত বা দ্রবণে দ্রবীভূত অবস্থায় কোন মধ্য দিয়ে তড়িৎ পাঠালে পদার্থটির রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় সেই প্রক্রিয়াকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।
প্রশ্নঃ- জারক পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- জারক পদার্থ : যেসব পদার্থ নিজে বিজারিত হয়ে অন্য পদার্থকে জারিত করে তাদের জারক পদার্থ বলে। যেমন—অক্সিজেন (O), ব্রোমিন (B12), ক্লোরিন (Cl2), ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড (MnO) ইত্যাদি জারক পদার্থ।
প্রশ্নঃ- বিজারক পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- বিজারক পদার্থ : যেসব পদার্থ নিজে জারিত হয়ে অন্য পদার্থকে বিজারিত করে তাদের বিজারক পদার্থ বলে। যেমন—হাইড্রোজেন (H)), হাইড্রোজেন সালফাইড (HS), কার্বন (গ), কার্বন মনোক্সাইড (CO) ইত্যাদি বিজারক পদার্থ।
প্রশ্নঃ- ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎলেপন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- তড়িৎকে কাজে লাগিয়ে রাসায়নিক পদ্ধতিতে এক ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎলেপন বলে। যেমন—তড়িবিশ্লেষণ পদ্ধতিতে লোহার তৈরি চামচ, বাটি, থালা ইত্যাদির উপর নিকেলের সূক্ষ্ম আস্তরণ দেওয়া।
প্রশ্নঃ- একটি অধাতব তড়িৎ পরিবাহীর উদাহরণ দাও।
উত্তর:- গ্রাফাইট।
প্রশ্নঃ- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় পরিবাহী তামার তারের উপর প্লাস্টিকের আস্তরণ তা হয় কেন?
উত্তর:- প্লাস্টিক অন্তরক পদার্থ হওয়ায় কোনভাবে তারগুলির মাধ্যমে শক লাগলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তাই পরিবাহী তামার তারের উপর প্লাস্টিকের আস্তরণ দেওয়া হয়।
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর:- যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থগুলির অণুর গঠন পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট অণু গঠিত হয় তাকে বিক্রিয়া বলে।
প্রশ্নঃ- অনুঘটক কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর:- অনুঘটক প্রধানত দুই রকমের হয়—
(i) ধনাত্মক অনুঘটক বা পরা অনুঘটক এবং
(ii) ঋণাত্মক অনুঘটক বা অপরা অনুঘটক।
প্রশ্নঃ- অ্যানোড এবং ক্যাথোড কাকে বলে?
উত্তর:- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় যে তড়িৎ দ্বারটি ব্যাটারীর ধনাত্বক মেরুর প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে অ্যানোড বলে।
তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় যে তড়িৎ দ্বারটি ব্যাটারির ঋণাত্মক মেরুর সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে ক্যাথোড বলে।
প্রশ্নঃ- অ্যানোডে ও ক্যাথোডে কি প্রকারের বিক্রিয়া ঘটে?
উত্তর:- অ্যানোডে জারণ এবং ক্যাথোডে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে।
প্রশ্নঃ- ধনাত্মক অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- ধনাত্মক অনুঘটক বা পরা অনুঘটকঃ যে অনুঘটক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় তাকে ধনাত্মক অনুঘটক বা পরা অনুঘটক বলে।
প্রশ্নঃ- ঋণাত্মক অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- ঋণাত্মক অনুঘটক বা অপরা অনুঘটক : যে অনুঘটক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ কমিয়ে দেয়, তাকে ঋণাত্মক অনুঘটক বা অপরা অনুঘটক বলে।
প্রশ্নঃ- জলের তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় জলে কি মেশানো হয়?
উত্তর:- জলের তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় জলে কয়েক ফোঁটা লঘু সালফিউরিক অ্যাসিড মেশানো হয়।
প্রশ্নঃ- তড়িৎ লেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং কাকে বলে?
উত্তর:- তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিকভাবে অধিক সক্রিয় কোন ধাতুর ওপর অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতিকে তড়িৎ লেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং বলা হয়।
প্রশ্নঃ- বিক্রিয়াজাত পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- বিক্রিয়াজাত পদার্থ : রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে যেসব পদার্থ উৎপন্ন হয়। তাদের বিক্রিয়াজাত পদার্থ বলে।
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় দ্রাবকের ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তর:- দুটো কঠিনের গুঁড়োকে মেশালেই তাদের অণু বা আয়নরা পরস্পর মেশার সুযোগ পায় না। দ্রাবকের অণুরা এসে বিক্রিয়কের মধ্যে থাকা অণু বা আয়নদের আলাদা করে ফেলে। তখন বিক্রিয়া শুরু হয়।
প্রশ্নঃ- গ্যালভানাইজেশন কাকে বলে? এর প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তর:- লোহার উপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতু জিংকের প্রলেপ দেওয়া কে গ্যালভানাইজেশন বলে।
প্রয়োজনীয়তা- লোহার তৈরি দ্রব্য বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে এলে তাতে মরচে পড়ে। ফলে লোহা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্প থেকে রক্ষা করতে তার ওপর প্রলেপ দেওয়া হয়।
প্রশ্নঃ- কোন ধাতুর তৈরি জিনিসের উপর তামার প্রলেপ দিতে তড়িৎ বিশ্লেষ্য হিসাবে কি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর:- কোন ধাতুর তৈরি জিনিসের ওপর তামার তড়িৎ লেপন এর জন্য তড়িৎ বিশ্লেষ্য হিসেবে কয়েক ফোটা সালফিউরিক অ্যাসিড মিশ্রিত কপার সালফেটের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ- সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সোডিয়াম নাইট্রেট নিয়ে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে হলে তুমি কোন্ দ্রাবক বেছে নেবে?
উত্তর:- সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সোডিয়াম নাইট্রেট আয়নীয় যৌগ। আয়নীয় যৌগগুলি জলে বেশি দ্রাব্য। কোনো জৈব দ্রাবক, যেমন—বেঞ্জিন, ইথার, ক্লোরোফর্ম ইত্যাদিতে খুব কম দ্রাব্য। তাই সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সোডিয়াম নাইট্রেট নিয়ে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে হলে দ্রাবক হিসেবে জলকে বেছে নেব।
প্রশ্নঃ- ঋণাত্মক অনুঘটকের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর:- সাধারণ উয়তায় হাইড্রোজেন পারক্সাইড খুব সহজেই বিয়োজিত হয়ে জল ও অক্সিজেনে পরিণত হয়। কিন্তু হাইড্রোজেন পারক্সাইডের মধ্যে সামান্য ফসফোরিক অ্যাসিড মিশিয়ে দিলে হাইড্রোজেন পারক্সাইডের বিয়োজনের গতিবেগ কমে যায় এবং হাইড্রোজেন পারক্সাইডের স্থায়িত্ব বাড়ে। এখানে ফসফোরিক অ্যাসিড ঋণাত্মক অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
প্রশ্নঃ- সমযোজী যৌগ কাকে বলে?
উত্তর:- যে সমস্ত যৌগের অনু একাধিক পরমাণুর ইলেকট্রন জোড়কে সমান ভাবে ব্যবহার করে গঠিত হয় তাকে সমযোজী যৌগ বলে।
প্রশ্নঃ- সমযোজী যৌগের একটি বন্ধন কটি ইলেক্ট্রন দ্বারা গঠিত?
উত্তর:- সমযোজী যৌগের একটি বন্ধন দুটি ইলেক্ট্রন দ্বারা গঠিত।
প্রশ্নঃ- অনুঘটকের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- অনুঘটকের বৈশিষ্ট্য :
(i) অনুঘটক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় বা কমায়। বিক্রিয়ার শেষে তাকে আবার ফিরে পাওয়া যায়।
(ii) অনুঘটক কোনো বিক্রিয়া আরম্ভ বা শেষ করতে পারে না।
(iii) বিক্রিয়াজাত পদার্থের পরিমাণ অনুঘটকের ওপর নির্ভর করে না।
(iv) এমন কোনো অনুঘটক হয় না যা সব বিক্রিয়ার বেগ বাড়াতে পারবে।
প্রশ্নঃ- অনুঘটকের গুরুত্ব উল্লেখ করো।
উত্তর:- অনুঘটকের গুরুত্ব :
(i) অনুঘটক ব্যবহার করে বিক্রিয়ার বেগ বাড়িয়ে বিক্রিয়াজাত পদার্থের পরিমাণ বাড়ানো যায়।
(ii) অনুঘটক ব্যবহারের ফলে বাইরে থেকে প্রযুক্ত শক্তির (তাপ) পরিমাণ কম লাগে
প্রশ্নঃ- মূলক কাকে বলে?
উত্তর:- একাধিক পরমাণু জোটবদ্ধ হয়ে যে আয়ন তৈরি করে তাকে বলা হয় মূলক বা Radical। যেমন - নাইট্রেট ( NO3- ) মূলক নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত।
প্রশ্নঃ- জৈব অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- জীবকোশে বিভিন্ন রকম রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে যেসব প্রোটিন জাতীয় যৌগ অনুঘটক হিসেবে কাজ করে তাদের জৈব অনুঘটক বলে। যেমন—বিভিন্ন ধরনের এনজাইম হল জৈব অনুঘটক।
প্রশ্নঃ- মানবদেহে এনজাইমের ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তর:- খাবারের বিভিন্ন উপাদান, যেমন—প্রোটিন, শর্করা, লিপিড ইত্যাদি হজম করতে নানান এনজাইম অপরিহার্য। আমাদের দেহে খাদ্য থেকে শক্তি তৈরি করতে, নতুন নতুন প্রোটিন তৈরি করতে, ডি.এন.এ. তৈরি করতে, কোশের মধ্যে ক্ষতিকারক যৌগকে নষ্ট করতে নানারকমের এনজাইম লাগে। এনজাইম ছাড়া কোনো কোশ বাঁচতে পারে না।
প্রশ্নঃ- পদার্থের চতুর্থ অবস্থাটি কি?
উত্তর:- পদার্থের চতুর্থ অবস্থা হল প্লাজমা অবস্থা। এই অবস্থায় পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বল পরমাণুর মধ্যে কার ইলেকট্রন কে ধরে রাখতে পারেনা। এই প্রচন্ড গরম গ্যাসীয় অবস্থায় আলাদা আলাদা হয়ে দৌড়াদৌড়ি করে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আর ইলেকট্রন। বিজ্ঞানীদের অনুমান সূর্যের কেন্দ্রে এই প্লাজমার উষ্ণতা প্রায় এক কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রশ্নঃ- জৈব অনুঘটকের একটি কাজ দেখাও।
উত্তর:- একটি পাত্রে কিছুটা হাইড্রোজেন পারক্সাইড নিয়ে তাতে জল মেশানো হল।দেখা যাবে খুব ধীরে ধীরে বুদ্বুদ আকারে অক্সিজেন নির্গত হচ্ছে। এখন ওই দ্রবণে একটি সদ্য কাটা আলুর টুকরো দেওয়া হল। এখন দেখা যাবে খুব তাড়াতাড়ি অক্সিজেনের বুদবুদ বের হচ্ছে। আলুর ক্যাটালেজ (Catalase) এনজাইম হাইড্রোজেন পারক্সাইডের বিয়োজন খুব দ্রুত করে।
প্রশ্নঃ- পরমাণুর নিউক্লিয়াস কাকে বলে?
উত্তর:- পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভরই তার মাঝখানে অতি অল্প জায়গায় পুঞ্জিভূত থাকে। পরমাণুর মাঝখানের এই ভারী অংশকে নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রক বলে।
আশাকরি তোমাদের অষ্টম ক্লাসের মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায় থেকে সকল প্রশ্ন ও উত্তর কমপ্লিট হয়েছে। আমরা আমাদের সর্বাঙ্গীণ প্রচেষ্টা করেছি তোমাদের এই অষ্টম শ্রেণীর মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায় থেকে সব প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার জন্য, এখন কাজ হল তোমাদের বাড়িতে পড়ার । পড়তে থাকো , প্র্যাকটিস করতে থাকো, প্র্যাকটিস মানুষকে উত্তম করে তোলে। যত পড়বে তত শিখবে, ততই জ্ঞানী হবে।
তোমাদের অষ্টম ক্লাসের মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়ের প্রাকটিসের জন্য আমাদের কুইজে অংশগ্রহণ করতে পারো, সম্পূর্ণ ফ্রিতে, নিচে লিঙ্ক দেওয়া আছে কুইজে অংশ নিতে পারো।
ক্লাস অষ্টম এর অন্যান্য অধ্যায় গুলি সম্পর্কে আরও পড়তে চাইলে নিচে অধ্যায় অনুযায়ী লিঙ্ক দেওয়া আছে, লিঙ্কে ক্লিক করে ক্লাস অষ্টম এর অন্য অধ্যায় গুলি পড়ে নাও। আমাদের পরিসেবা তোমাদের ভালো লাগলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো করতে পারো।
তোমরা যারা মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া (দ্বিতীয় অধ্যায়) – অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 8 Poribesh O Biggan Question and Answer (WBBSE) খুঁজে চলেছ, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারো, আশাকরা যায় যে এখান থেকেই তোমরা কমন পেয়ে যাবে।
People also search to use these type of keywords like that